শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রকাশ্য দিবালোকে সাভার ও আশুলিয়ার ২ যুবক খুন যৌতুকের বলি আনজিলা আক্তার! জামালপুরে ভ্যান চালক শিশু সম্পার পরিবারের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানেও বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ জাল পাঁচ হরিণ শিকারী আটক করেছে বন বিভাগ জলবদ্ধতা নিরসনে দুই চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অবৈধ নেটপাটা অপসারণ অপরাধ ডটকমের সাভার প্রতিনিধির মায়ের ইন্তেকাল বগুড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জনপ্রিয়তার শীর্ষে আমিনুল ফরিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে রেজিস্ট্রি অফিসের অনিয়মের বিরুদ্ধে সনাসের মানববন্ধন মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সাভারে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

আমি কেন নৌকা প্রতীক প্রত্যাশী? মিজানুর রশীদ ভুঁইয়ার আবেগঘন লেখা

মোঃ আলী হোসেন, জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

জন্মস্থান তথা মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা মানুষের একটি স্বভাবজাত প্রক্রিয়া।প্রত্যেকে নিজের জন্মস্থানকে ভালোবাসে,আমিও আমার প্রিয় জন্মস্থান জগন্নাথপুর পৌরসভাকে অন্তর থেকে ভালোবাসি। শ্রদ্ধা ও স্নেহ করি প্রতিটা নাগরিককে। আর নাগরিকদের মৌলিক চাহিদাসহ উন্নত জীবন-যাপনের সুযোগ সুবিধা প্রধান করার লক্ষ নিয়ে আগামী ২৯ মার্চের উপনির্বাচনে আমি একজন নৌকা প্রতীকের প্রত্যাশি।

 

বঙ্গকন্যা মানবতার মা শেখ হাসিনার স্বপ্ন উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা।সেই লক্ষ অর্জনে তিনি কাজ করছেন।তাই বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়শীল দেশে উন্নতি হয়েছে।প্রতিটি পৌরসভায় লেগেছে আধুনিক শহরের ছুয়া।আমাদের পৌরসভাকে নিয়ে শ্রদ্ধেয় পরিকল্পনা মন্ত্রী সাহেবের ভবিষৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য উনার পক্ষে কাজ করতে চাই।তাই জগন্নাথপুর আওয়ামীলীগ পরিবারের প্রতিটি অঙ্গসংঠনসহ প্রতিটা নাগরিকের সহযোগিতা চাই যাতে নৌকা প্রতীক নিয়ে পৌরবাসীর পাশে দাঁড়াতে পারি।

 

কেন আমি নৌকা প্রতীকের প্রত্যাশি?

স্বাধীন বাংলার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে অনুপাণিত হয়ে আওয়ামীলীগ দলকে ভালোবাসি।আমার বাবার মুখ থেকে ৫২,৬৬,৬৯,৭০,এবং ৭১ এর স্বাধীনতার যুদ্ধসহ বাংলার ১৬টি আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা গল্পকারে শুনে বঙ্গবন্ধুর পরিবার ও আওয়ামীলীগ দল আমার রক্তে সাথে মিশে গেছে।আমার বাবাও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ছিলেন আপোষহীন মুজিব সৈনিক। মুজিব আদর্শ ছিল উনার অহংকার। বঙ্গবন্ধু যখন স্বাধীনতার ডাক দেন তখন আমার বাবা মুক্তিবাহিনী গঠন করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন।স্বাধীনতার পরবর্তীতে ৫ বার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও প্রথম পৌর-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং আমৃত্যু জগন্নাথপুর আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদ সাহেবের আমন্ত্রণে এবং আমার বাবার নেতৃত্বে ১৯৮৭ সালে জন নেত্বী শেখ হাসিনা আমাদের ইকড়ছই মাঠে আসেন এবং একটি সফল সভা করেন।বাবার আহস্মিক মৃত্যুতে পরবর্তীতে আমি উপনির্বাচনে জয় লাভ করে প্রথম পৌর মেয়র হিসাবে শপত নেই।

 

২০০৬ সালে বি,এন,পি ও জামাত সরকার থাকাকালীন সময় আমি বিরোধী দলের প্রার্থী থাকা স্বত্তেও পৌর সভার প্রতিটি রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন ও নাগরিকদের সবধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রধানের চেষ্টা করি।আমি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতিক,ক্রীড়া,সাংস্কৃতিক ও সামাজিক জগতের সাথে জরিত।১৯৮৯ সালে জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সফল সিনিয়র সভাপতির দায়িত্ব পালন করি।৯০ এর স্বৈরচার বিরোধী আন্দোলনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করি এবং তখনকার সরকারের হাতে নির্যাতিত হই।৯২ সালে জগন্নাথপুর উপজেলার যুবলীগের প্রতিষ্টাকালীন সভাপতি নির্বাচিত হই এবং যুবগীলকে এক শক্তিশালী সংগঠন হিসাবে রুপান্তিত করি।প্রবাস জীবনে গিয়ে ও প্রাণের সংগঠন আওয়ামীলীগকে ভুলিনি স্বয়ংক্রিয় ভাবে রাজনৈতির সাথে জরিত আছি। সমান ভাবে ক্রীড়াঙ্গন বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করি এবং নিজেও কৃতিত্বের সাথে শেরে বাংলা ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলি।উপজেলা ক্রীড়াসংস্থান প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হই।ছাত্রীকালীন সময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উনুষ্ঠান আয়োজন করি এবং এলাকায় অনেক সামাজিক সংগঠন গড়ে তুলি আজও অনেক সামাজিক সংগঠনের সাথে জরিত আছি।বিগত নির্বাচনে আমি তৃনমূল পর্য়ায় থেকে জেলা পর্যন্ত নৌকা প্রতীকে মনোনীত হই।কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের কারণে জনগনের সমর্থন থাকা স্বত্তেও স্বত্বন্তপ্রার্থী থেকে নাম প্রত্যাহার করি এবং নেত্রীর সিদ্ধান্ত মেনে নেই।আগামী বত্রিশ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার।

 

এ লক্ষ্যে রূপকল্প ২০২১ এবং ২০৪১ প্রস্তুত করা হয়েছে।আর আমি আমাদের জগন্নাথপুর পৌরসভা থেকে প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার সাথে অংশ গ্রহন করতে চাই।এর জন্যই আমি নৌকা প্রতীকের প্রত্যাশি তাই জগন্নাথপুর আওয়ামীলীগ ও সবার সমর্থন কামনা করছি।

আমার ভাবনা

বিগত বছরের সব জঞ্জাল দূর করে সুবিধা বঞ্চিত পৌর নাগরিকদের পরামর্শে জগন্নাথপুর পৌরসভাকে একটা উন্নত সেবা প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে চাই। এজন্য যা যা করা দরকার আমি তা-ই করবো। জনপ্রতিনিধি হয়ে জনসেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করা আমার বহুদিনের স্বপ্ন।জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত যেন আপনাদের পাশে থেকে সেবা করতে পারি এই সুযোগটা আপনাদের কাছে চাই ।লেখার অনেক কিছু ছিল কিন্তু আপনাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করতে চাই না।

 

মিজানূর রশীদ ভূইয়া, মেয়র পদপ্রার্থী


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ