সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ০১:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুর মহানগরের ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুস সোবাহান সকলের দোয়া চায় ব্যাংকে ঋণ থাকা অবস্থায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু: ৯ বছর পর চাপে ভুক্তভোগী পরিবার মাগুরায় ৮ দিন পর যুবকের মস্তকবিহীন লাশের মাথা ও পা উদ্ধার গাজীপুরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল কলেজ খোলার জন্য মানববন্ধন। মাগুরায় পরিত্যক্ত পুকুরে মিললো যুবকের টুকরো টুকরো লাশ বশেমুরবিপ্রবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, স্বেচ্ছায় অব্যহতি গাজীপুরে ভোগরা বাইপাসে স্ট্রোকে আম বিক্রেতার মৃত্যু গাজীপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় গার্মেন্টস শ্রমিকের মৃত্যু শেরপুরে নকল সোনার বারসহ ২ প্রতারক গ্রেফতার কাল থেকে ৭ দিনের জন্য কঠোর লকডাউন চাঁপাইনবাবগঞ্জে

আড়ংঘাটায় দফায় দফায় লোডশেডিং, অতিষ্ট এলাকাবাসী

তুহিন আহমেদ

নগরীর দৌলতপুর, আড়ংঘাটায় দফায় দফায় বিদ্যুতের বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। ঘন ঘন বিদ্যুতের সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। তাপদাহের সাথে বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা যাওয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে গ্রাহকরা।

আজ সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ছন্দপতন হচ্ছে বলে অভিযোগ গ্রাহকদের। বিদ্যুতের সঞ্চালন ব্যবস্থায় ত্রুটি ও ট্রান্সফরমার ওভার লোডেড হওয়ার কারণে বিদ্যুতের বিভ্রাট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ওজোপাডিকোর সূত্র মতে, খুলনায় বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য চারটি বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র রয়েছে। খুলনায় ৭১টি ফিডার রয়েছে। এর মধ্যে গ্রাহক ফিডার ৪৮টি এবং এক্সপ্রেস ফিডার ২৩টি। বিতরণ লাইন রয়েছে এক হাজার পাঁচ কিলোমিটার। ট্রান্সফরমার রয়েছে ১ হাজার ৩৪৩টি। এসব ট্রান্সফরমার ওভার লোডেড ও সঞ্চালন লাইনের ত্রুটির এবং উন্নয়ন কাজের জন্য ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে। বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে বিভ্রাটও বেড়ে যায়।

এতে গ্রাহকদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। সূত্র জানায়, আজ শনিবার দৌলতপুর, আড়ংঘাটায় প্রায় সারাদিন বিদ্যুত ছিল না। সকাল থেকেই উল্লেখিত দুটি থানার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়। এর মধ্যে আড়ংঘাটা এলাকায় দুপর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।

আড়ংঘাটা এলাকার বাসিন্দা আরিফুর রহমান বাবু বলেন, ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাচ্ছে। সেই সাথে রয়েছে লো ভোল্টেজ। ঘন বিদ্যুৎ যাওয়া এবং বিদ্যুতের ভোল্টেজ আপ-ডাউন করার কারণে ফ্রিজ, টিভি, ফ্যান, লাইটসহ ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে। এছাড়া ফ্রিজে থাকা খাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আর সামান্য বৃষ্টি হলেই আড়ংঘাটায় ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকেনা। তিনি আরো বলেন স্থানীয় পর্যায়ে ফিডারে দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ার এবং লাইন ম্যানদের গাফিলতির কারনে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

দৌলতপুর ফিডার ইঞ্জিনিয়ার মন্টু বিশ্বাস বলেন, বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন, ফল্ট, ট্রান্সফরমারের ফিউজ সহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। ফলে কিছুটা বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে। তবে কোন লোডশেডিং নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ

Spoken English কোর্স