রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:০৪ অপরাহ্ন

একরাম চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ত্রাণ ও চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ
মোঃ নুর আলম সিদ্দিকী, নোয়াখালী প্রতিনিধি / ১৬৭ ভিউ
সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রথম থেকেই নোয়াখালী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী। এবার পিপিই দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়ালেন তিনি। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রায় ১ হাজার পিপিই,হ্যান্ড স্যানিটাইজ দিয়েছেন নোয়াখালী-৪ আসনের মাটি ও মানুষের এই নেতা।

করোনা প্রতিরোধে জেলাব্যাপী ডাক্তার, সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য প্রথম ধাপে ১ হাজার পিপিই বিতরণ করেছেন। প্রয়োজনে পরের ধাপে আরো ১ হাজার পিপিই দিবেন।
বুধবার জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে একরামুল করিম চৌধুরী ব্যক্তিগত উদ্যোগে জেলা প্রশাসক তন্ময় দাসের হাতে ১ হাজার পিপিই ,হ্যান্ড স্যানিটাইজ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী তুলে দেন।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে জেলার ৯ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের প্রত্যেক থানা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা প্রশাসন, ডিসি অফিস, এসপি অফিস, সিভিল সার্জেন্ট অফিস, সদর হাসপাতাল এবং মিডিয়ায় কর্মরত ব্যক্তিরা পর্যায়ক্রমে পিপিই পাবেন। একইসঙ্গে তার নিবাচর্নী এলাকা সদর-সূবর্ণচর এলাকায় ২৮ লাখ টাকা দান করেন। জেলা সদরে আইসোলেশন র্নিমানের জন্য ৫ লাখ প্রদান করেন।

নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জননেত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী সুশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ত্রাণ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৮ লাখ টাকা ত্রাণের জন্য এবং ১০ লাখ টাকা চিকিৎসা সরঞ্জাম বিতরণ করার জন্য হস্তান্তর করা হলো।

এছাড়া করোনার এই সময়ে যখন যা লাগবে, তা নিয়েই পাশে দাঁড়াবো আমার নোয়াখালীবাসীর জন্য। আমার উদ্যোগগুলো সবসময় চলমান থাকবে। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, সবার পাশে থাকতে চাই। কর্মহীন, শ্রমজীবী, গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে আমি দাঁড়িয়েছি; তাদের জন্য তৈরি করেছি ফাউন্ডেশন।এরইমধ্যে লাখো পরিবারের মাঝে খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘করোনা ভইরাসের এই দুর্যোগে স্বাস্থ্যসেবায় আমি পরিবহন ব্যবস্থাও করে দিয়েছি। যাতে স্বাস্থ্যসেবা বা স্বাস্থ্যকর্মীদের কোনো সমস্যা না থাকে। স্বাস্থ্য ঝুঁকিসহ নিরাপত্তা ও সুরক্ষার কারণেই এই পদক্ষেপ নিয়েছি। এছাড়া মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ত্রাণ ও চিকিৎসা সেবা বাবদ যে সহযোগিতা প্রয়োজন, তা করার জন্য প্রস্তুত আছি। তাই সরকারি নিয়ম মেনে সকলে বাসায় থাকুন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Shares