শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস হবে আম: কৃষিমন্ত্রী খাবার না থাকলে আমাকে জানান, আমি বাড়ি বাড়ি খাবার পৌছে দিব: এমপি আনার অমুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের অভিযোগ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কমলগঞ্জে হিন্দু ছাত্র পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ময়মন‌সিং‌হের শম্ভুগ‌ঞ্জে প্রায় শতা‌ধিক দোকানে ধর্মঘট শেরপুরের শ্রীবরদীতে ১’শ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার সাংসদ কন্যা ডরিন এর নেতৃত্বে রোজা রেখেও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এক কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ করোনা সঙ্কটে আবারো অসহায় মানুষের পাশে সাংসদ কন্যা ডরিন সাভারে দুই নারী ধর্ষণের শিকার, আটক ২ ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে তিস্তায় ডুবে একজনের মৃত্যু

এটা মাদ্রাসা নাকি গোয়াল ঘর?

বিশেষ প্রতিনিধি, বাগেরহাট

করোনা পরিস্থিতিতে সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী বাগেরহাটের শরণখোলা মহিলা দাখিল মাদ্রাসাটি বন্ধ থাকার সুযোগটি কাজে লাগিয়েছেন এক ব্যবসায়ী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কক্ষ দখল করে বসবাস এবং ঠিকাদারী কাজের কাঠ, বাঁশ ও বিভিন্ন মেশিনারীসহ আসবাব পত্র বোঝাই রয়েছে পাঠদানের ক্লাস রুমগুলোতে। আবার কয়েকটি রুমে বাঁধা রয়েছে গবাদিপশু। দূর থেকে দেখলে মনে হয় গোয়াল ঘর কিংবা বালু-খোয়া রাখার গোলা।

সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীদের প্রাত্যাহিক সমাবেশের মাঠ জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন নির্মান সামগ্রীর কাজে ব্যবহৃত ইট-পাথরের খোয়া ও বালু। পরিস্থিতি দেখে বোঝার উপায় নেই এটা গরুর রাখার গোয়াল ঘর নাকি বালু-খোয়া রাখার গোলা নাকি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দৃশ্যমান এতকিছুর পরেও এ চিত্রটি নজরে নেই প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের কারও।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রায়েন্দা বাজারের প্রভাবশালী ব্যক্তি এসকল সামগ্রী রেখে তার ব্যবসা-বানিজ্য করছেন। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক সকল কার্যক্রমের পরিবেশ নাজুক অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় সাথে কথা বলে জানা যায়, গোলাম মোস্তফা মধু শরণখোলা সরকারী কলেজের শিক্ষক, ঠিকাদার ব্যবসায়ী, আওয়ামীলীগ নেতা হওয়ার সুবাদে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাহিমা আক্তার হাসির স্বামী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অবৈধ দখল করে এসব কর্মকান্ড চালাচ্ছেন। তার এই কর্মকান্ড দেখে সেখানকার প্রতিবেশীরাও প্রতিষ্ঠান দখল করে পশু পালন শুরু করেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেখানে বসবাস করা শ্রমিকরা বলেন, “তাদেরকে মদু ছারে এখানে থাকতে দেছে। ৪/৫ দিন হয় এখানে থাকছি। এর আগেও মাসব্যাপী এখানে ছিলাম। আর আমরা সবাই ছারের কাজ করি” স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মৃধা ও আব্দুল হামিদ মৃধা বলেন, জোর জার মুল্লুক তার নীতিতে বছরের পর বছর তিনি ঠিকাদারি কাজের বিভিন্ন মালামাল রেখে মাদ্রাসার পরিবেশ নষ্ট করছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পুরো মাঠ জুড়ে নির্মান সামগ্রী রাখায় মাদ্রাসার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সভাপতি যদি এসব কাজ করে তবে তাকে কে ঠেকাবে।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য গোলাম মোস্তফা মধুর মুঠোফোনে ০১৭১৬৯৩৭৩৩৫ নম্বরে বারবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। মাদ্রাসার সুপার মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন জানান, মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় ওই মালামালগুলো রাখা হয়েছে। শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহীন জানান, খোঁজ খবর নিয়ে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ

Spoken English কোর্স