শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় পানিবন্দী মানুষের অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধন তুরাগ নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ে বিভিন্ন অপরাধীদের নামে ৪’শ ২৮টি মামলা নন্দীগ্রামে খাস পুকুরে পানি নিষ্কাশন নিয়ে মারামারি, আহত ২ শেকৃবিতে রেজিস্ট্রারকে চলতি ভিসির দ্বায়িত্ব দেওয়ায় বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির নিন্দা তাহিরপুরে অজ্ঞাত বৃদ্ধার ঠিকানা খুঁজছে এলাকাবাসী নিবন্ধন না থাকায় সাভারে বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আশুলিয়ায় স্কুল পড়ুয়া কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা, সাভারে ২ জনের লাশ উদ্ধার পাটগ্রামে ভারতীয় শাড়ী ও কসমেটিক্স সহ আটক ২ নৌকার মাঝি মোহাম্মদ আলী, ধানের শীষ হাতে সাইফুল আলম

কক্সবাজারে পাহাড় কেটে বাড়ি নির্মাণ, প্রভাবশালীদের দখলে বনভুমি

জাফর আলম, কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন উখিয়া উপজেলার জালিয়া পালং ইউনিয়নের মনখালী চাকমা পাড়া গ্রামের অভ্যন্তরে পাহাড় কেটে নির্মিত হচ্ছে পাকা দালান।

পরিবেশ অধিদপ্তরসহ স্থানীয় প্রশাসনের কোনো অনুমতি ছাড়াই পাহাড় কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে পাহাড় কর্তন কারীদের বিরুদ্ধে।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন উখিয়া উপজেলার জালিয়া পালং মনখালী চাকমা পাড়ায় এই পাহাড় গুলো কাটা হচ্ছে।পাহাড়ের চূড়ায় নানা গাছপালাও রয়েছে।কেটে নেওয়া অংশ সমতল করে নির্মিত হচ্ছে পাকা দালান।চার কক্ষের একটি ভবনের দেয়াল আরেকটিতে দুই কক্ষ দালান করা হয়েছে ইতিমধ্যে। সেখানে গিয়ে এই দৃশ্য দেখা যায়। সেখানে ছয়জন শ্রমিক পাহাড় কেটে পাশের নিচু জায়গায় ফেলছিলেন এবং দেয়াল দেওয়ার কাজ করেছিল।

শ্রমিকরা বলেন, জায়গার মালিক আবুল হাশেমের মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার পাহাড় কেটে দালান নির্মাণ করতে তাঁদের নিযুক্ত করেছেন। নতুন দালান তোলার প্রয়োজনেই পাহাড় কাটা হচ্ছে।পাহাড় কাটার অনুমতি আছে কি না এ বিষয়ে তাঁরা জানেন না বলে জানান। কিয়াছা চাকমার ছেলে কেলাইং চাকমা প্রকাশ কেলাইংগ্গা বনবিভাগের সমতল জায়গায় একটি দালান নির্মাণ করতেছে।

যোগাযোগ করা হলে ইয়াছমিন ও তাঁর বাবা আবুল হাশেম বলেন,দালান নির্মাণের কাজেই নিজের পাহাড় কাটছি। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করিনি।

ওই এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দু–এক দিন পরপর সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত পাহাড়ের মাটি কাটা হয়। পরে ওই মাটি জমি ভরাট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।

এ ব্যাপারে হোয়াইক্যং রেঞ্জ অফিসার আব্দুল মতিন বলেন, পাহাড় কাটার খবর আমার জানা নেই। পাহাড় কর্তনকারী যতোই প্রভাবশালী হোক ছাড় দেওয়া হবে না। সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ