রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন

করোনায় নির্দেশনা না মেনে কালীগঞ্জে রাতেও খোলা থাকছে খাবারের হোটেল
রিয়াজ মোল্ল্যা, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ / ৩৬৫ ভিউ
সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে জনগনকে নিরাপদ রাখতে, দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে সরকারের যে উদ্দ্যোগ, তা যদি সাধারণ জনগন সচেতন হয়ে পালন করে, তাহলে মরণঘাতী করোনা কে জয় করা সম্ভব। সরকারের আদেশ পালনে জনগনকে সচেতন করতে, সুস্থ রাখতে, নিরাপদে রাখতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা যে ভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে – ঘাটে, শহর কিংবা সারা দেশে কর্তব্য পালন করে যাচ্ছেন তাতে পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকা সত্যি প্রসংশনীয়। সাধারণ জনগনকে নিরাপদ রাখতে গিয়ে প্রাণ দিতে হচ্ছে পুলিশের, প্রান দিতে হচ্ছে ডাক্তারদের। দিনদিন আক্রান্ত হচ্ছে শত শত পুলিশ। এসব দেখেও সচেতন তো দূরের কথা অনেকের কাছে তা গল্প কাহিনী আর কফি হাউসের আড্ডায় পরিণত হয়েছে। মনে হয় তাদের কাছে এসব কিছুই না। যার ফলে অনেকে সরকারি আদেশ অমান্য করে কিছু কিছু দোকানপাট কোনো সামাজিক বা শারিরীক দূরত্ব বজায় না রেখেই করছেন বেঁচাকেনা ও রাতে থাকছে কিছু কিছু হোটেল খোলা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায়, সড়ক কিংবা পাড়া মহল্লার জনগনকে সচেতনতার সহিত সামাজিক দূরত্ব ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার বিধি বিধান অনুয়ায়ী দোকানপাট খোলার রাখার সরকারি আদেশ থাকলে ও তা মানছে না অনেকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা তাদের মতো করেই চলছে। সন্ধ্যার পর চায়ের দোকানে, পানের দোকানে পাড়ার অলিগলি ও সড়কে চলছে আড্ডা। মানছে না সামাজিক কিংবা শারীরিক দূরত্ব। এতে করে করোনা সংক্রমণ আতংকে দিন কাটাচ্ছেন এলাকার সচেতন জনসাধারণ।

বিশেষ করে শহরের মেইন বাসষ্টান্ডে ধানসিঁড়ি হোটেল, ধানসিঁড়ি হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট, মদিনা হোটেল, রায় সুইটস হোটেল থাকছে খোলা। কোনো কোনো হোটেল মালিকরা এক শাটার বন্ধ করে ও হোটেলের সামনে বসে থেকে খরিদ্দারদের হোটেলের ভিতর ঢুকিয়ে শাটার বন্ধ করে চালাচ্ছেন খাওয়া দাওয়া ও বেচা কেনা। এসব হোটেলে কর্মরত শ্রমিকদের থাকছেনা কোনো সেফটি প্রোটেকশন । ঢাকা থেকে বা দেশের দূরদুরান্ত জেলা থেকে আগত অনেকেই রাতে এই হোটেলে খাবার খেয়ে থাকেন। যেখানে দূরের কোনো জেলা থেকে কেউ আসলে তাকে ১৪ দিন হোম কোয়ারান্টাইনে থাকার কথা।
যার ফলে দিনদিন যে ভাবে সংক্রমণ বাড়ছে এতে করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে বেশী কালীগঞ্জ বাসির জন্য।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, হাইওয়ে রোডের পাশে রাতে খাবারের হোটেল খোলা বা বন্ধ রাখার কোনো সরকারি নির্দেশনা পায়নি। নির্দেশনা পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুবর্ণা রানি সাহা জানান, রাতে শহরে খাবারের হোটেল খোলা রাখার কোনো সরকারি নির্দেশনা নাই। হোটেল খোলা থাকে কিনা তা আমার জানানেই। আমি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Shares