বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন

করোনা আক্রান্তে খুলনা বিভাগে যশোর শীর্ষে

মোরশেদ আলম, যশোর প্রতিনিধি

খুলনা বিভাগের দশ জেলায় করোনাভাইরাসে শীর্ষে রয়েছে যশোর। তবে আক্রান্তের সংখ্যা সর্বাধিক হলেও এই জেলায় এখনো কোনো করোনা রোগীর মৃত্যু হয়নি জানা যায় ।

খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার রুহুল কুদ্দুসের দেয়া তথ্য মতে খুলনা বিভাগে ৪৪০ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

তারমধ্যে যশোরের ১০০, চুয়াডাঙ্গার ৮৫, খুলনার ৫৯, ঝিনাইদহের ৪৭ , সাতক্ষীরার ৩৬, কুষ্টিয়ার ৩৫, বাগেরহাটের ২৫, নড়াইলের ২২, মাগুরার ২০, ও মেহেরপুরে সর্বনিম্ন ১১ জন। একই সাথে সুস্থের সংখ্যাও জানানো হয়। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে ১৬২ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সুস্থ হয়ে ওঠাদের মধ্যে যশোরের ৫৫, ঝিনাইদহের ২৩, চুয়াডাঙ্গার ২১, কুষ্টিয়ার ১৮, মাগুরার ১৭, খুলনার ১৫, বাগেরহাট ও মেহেরপুরের পাঁচজন করে, নড়াইলের দুই, এবং সাতক্ষীরার একজন রয়েছেন।

খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের তথ্যমতে, দশ জেলায় করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে খুলনার তিন, বাগেরহাটের দুই এবং নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের একজন করে রয়েছেন।

এদিকে বুধবার বিকেলে খুলনা বিভাগে আরো ১৫ জন শনাক্ত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে । এনিয়ে বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫৫তে পৌঁছেছে।সূত্র জানায়, বুধবার নতুন করে যে ১৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে, তা খুলনা ও কুষ্টিয়া ল্যাবে পরীক্ষার ফল। এর মধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ ল্যাবে দশটি ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ল্যাবে পাঁচটি নমুনাকে পজেটিভ বলে শনাক্ত করা হয়।
খুলনায় শনাক্ত হওয়া দশ নমুনার মধ্যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের তিন সদস্য রয়েছেন। আরো রয়েছেন জেলার কয়রা উপজেলা, বটিয়াঘাটা এবং খুলনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ ব্যারাক এলাকার একজন করে বাসিন্দা। এছাড়া এদিন সাতক্ষীরার তিনজন ও মাগুরার একজনকে করোনা রোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে । এছাড়া কুষ্টিয়া ল্যাব থেকে পাঁচ নমুনাকে পজেটিভ বলে শনাক্ত করা হয়।

এদিকে, বৃহস্পতিবার থেকে যশোরের দোকান পাট, শপিংমল খুলে দেয়ার স্বিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসনের এ স্বিদ্বান্ত কতটা যৌক্তিক তা কয়েকদিন পরেই বোঝা যাবে বলে সচেতনমহলের দাবি। এ মূহূর্তে যশোরের মানুষের বাড়িতে থাকার বিকল্প নেই বলেও তারা মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন বলেন, করোনা প্রতিরোধে তারা গুরুত্বের সাথে কাজ করেযাচ্ছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই রোগী সুস্থ্য হয়ে উঠছেন। তিনি আরো যোগ করেন, আক্রান্তের সাথে সুস্থ্যর সংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে যশোর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ

Spoken English কোর্স