শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০১:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস হবে আম: কৃষিমন্ত্রী খাবার না থাকলে আমাকে জানান, আমি বাড়ি বাড়ি খাবার পৌছে দিব: এমপি আনার অমুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের অভিযোগ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কমলগঞ্জে হিন্দু ছাত্র পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ময়মন‌সিং‌হের শম্ভুগ‌ঞ্জে প্রায় শতা‌ধিক দোকানে ধর্মঘট শেরপুরের শ্রীবরদীতে ১’শ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার সাংসদ কন্যা ডরিন এর নেতৃত্বে রোজা রেখেও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এক কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ করোনা সঙ্কটে আবারো অসহায় মানুষের পাশে সাংসদ কন্যা ডরিন সাভারে দুই নারী ধর্ষণের শিকার, আটক ২ ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে তিস্তায় ডুবে একজনের মৃত্যু

কালীগঞ্জে মোবারকগঞ্জ চিনিকল শ্রমিকদের বেতন ও আখের মূল্য পরিশোধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে স্বারকলীপি

রিয়াজ মোল্ল্যা, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মোবারকগঞ্জ চিনিকল শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন ও চাষিদের আখের মূল্য পরিশোধসহ পাঁচ দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্বারকলীপি দেওয়া হয়েছে। রোববার সকাল ১০ টায় মিলের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সূবর্ণা রানী সাহার হাতে এ স্বারকলীপি প্রদান করেন। স্বারকলীপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন, মিলের শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির দরকষাকষি সম্পাদক মোঃ গোলাম রসুল, সাধারন সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম ও যুগ্ন সম্পাদক রফিকুল ইসলামসহ নেতৃবৃন্দ।
স্বারকলীপি প্রদানকালে মিলের শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি গোলাম রসুল বলেন, আসন্ন ঈদের আগে শ্রমিক ও কৃষকদের পাওনা পরিশোধ না করলে রেল ও সড়ক যোগাযোগ অবরোধের মতো বড় ধরনের কর্মসুচী পালন করা হবে।
স্বারকলীপি প্রদান অন্ষ্ঠুানে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ জানান, মিলের শ্রমিক কর্মচারীদের গত তিন মাসের ৪ কোটি ৫ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। এছাড়া সদ্য শেষ হওয়া মাড়াই মৌসুমের কৃষকদের আখের টাকা বাকি রয়েছে ৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এসময় তারা আরো জানান, করোনা সংকটে মিলটি বকেয়া বেতন ও আখের টাকা পরিশোধ না করায় শ্রমিক কর্মচারী ও কৃষকরা মানবেতর জীবন যাপন করছে। বিষয়টি নিয়ে করপোরেশনকে বার বার অবহিত করার পরও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, ২০১৯-২০২০ মাড়াই মৌসুমে ৯৬ কার্য দিবসে এক লাখ ৩৯ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে প্রায় সাত হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন কওে মিলটি। মাড়াই মৌসুম শেষ হওয়ার পাঁচ মাস পার হলে মিল গোডাউনে এখনো প্রায় তিন হাজার মেট্রিকটন চিনি অবিক্রিত রয়েছে। চিনি বিক্রি না হওয়ায় শ্রমিক কর্মচারী ও আখচাষিদের পাওনা পরিশোধ করতে পারছে না মিল কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ

Spoken English কোর্স