শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০২:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস হবে আম: কৃষিমন্ত্রী খাবার না থাকলে আমাকে জানান, আমি বাড়ি বাড়ি খাবার পৌছে দিব: এমপি আনার অমুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের অভিযোগ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কমলগঞ্জে হিন্দু ছাত্র পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ময়মন‌সিং‌হের শম্ভুগ‌ঞ্জে প্রায় শতা‌ধিক দোকানে ধর্মঘট শেরপুরের শ্রীবরদীতে ১’শ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার সাংসদ কন্যা ডরিন এর নেতৃত্বে রোজা রেখেও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এক কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ করোনা সঙ্কটে আবারো অসহায় মানুষের পাশে সাংসদ কন্যা ডরিন সাভারে দুই নারী ধর্ষণের শিকার, আটক ২ ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে তিস্তায় ডুবে একজনের মৃত্যু

কেনাবেচায় জমে উঠেছে নওগাঁর আমের বাজার

রহিদুল ইসলাম রাইপ, নওগাঁ থেকে

দেশের বৃহত্তম আমের বাজার নওগাঁর সাপাহারে জমে উঠেছে আম কেনা-বেচার ধুম। সাপাহার উপজেলা সদরে রাস্তার দু’পার্শ্বে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কয়েক শ’ আমের আড়ৎ বসেছে। সুমিষ্ট রসালো ফল হিমসাগর ও ল্যাংড়া আমের বেচাকেনায় জমে উঠেছে মোকাম গুলোতে।

চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই গুটি, গোপালভোগ, খিরশাপাতি, হিমসাগর ও ল্যাংড়া আম ব্যাপক হারে আমদানী হতে দেখা গেছে।

রাজধানী ঢাকাসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শত শত আম ব্যবসায়ী এখান থেকে হাজার হাজার মন আম কেনা বেচা করছে। বিশেষ করে সরকারী ভাবে আমের বাজার নিয়ন্ত্রনে চলতি বছরে গাছ থেকে আম পাড়ার তারিখ নির্ধারণ করে দেয়ার কারনে আড়ৎ গুলোতে প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে পরিপক্ক আম আমদানী করা হচ্ছে।

বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার রোধে প্রশাসনের কঠোর ভুমিকা থাকায় ফরমালিন মুক্ত রয়েছে এই আমগুলো।

বর্তমানে দেশের বৃহৎ এ আমের বাজারে প্রতিদিন যে পরিমান আম আমদানী ও কেনা বেচা হচ্ছে তাতে রুপালী আম বাজারে আসলে মোকামের চিত্র অনেকটাই পাল্টে যাবে বলে ও আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শ্রী কার্তিক শাহা সহ অন্যন্য আম ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে উপজেলার সদরের বিভিন্ন আম বাগান মালিকগণের সাথে কথা হলে তারা জানান যে, ধান চাষের চেয়ে আম চাষে অনেকেই অর্থনৈতিক লাভবান হওয়ায় কৃষকরা আম বাগান ঝুকছে।

বর্তমানে আবহাওয়া আমচাষীদের অনুকুলে থাকায় আমের বাজার দর ভালো আছে। এখন প্রতিমন ল্যাংড়া আম বিক্রি হচ্ছে ২২শত থেকে ২৬শত টাকা, খিরশা ও হিমসাগর আম বিক্রি হচ্ছে ২৫শ থেকে ৩হাজার টাকা মণ। তবে আম্রপালী আম ব্যাপক উৎপাদন হওয়ায় এবার শেষ দিন পর্যন্ত দাম সহনিয় পর্যায় থাকবে বলেও আড়ৎদার ও বাগান মালিক গণ জানান।

জেলা কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী উপজেলায় ২৫ হাজার ৪ শত হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকার উন্নত জাতের আম চাষ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের হিসেব মতে প্রতি হেক্টর জমিতে ১২ মে:টন আম উৎপাদন হয়। প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মেট্টিকটন আম উৎপাদন হবে যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ১২শত কোটি টাকা।

প্রতি বছর আমের মৌসুমে আম ব্যবসা ও বাজারজাত করনে এলাকার হাজার হাজার শ্রমজীবি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। বৃহত্তর এই আমের মোকাম ও উৎপাদিত আমের কারনে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ অর্থনৈতিক ভাবে উপকৃত হচ্ছে। অপর দিকে সর্ব বৃহৎ এ আমের মোকামের আড়ৎদার, আম ব্যবসায়ী, আম চাষি ও বাগান মালিকদের সকল প্রকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করনে প্রতিদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে সদরে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ

Spoken English কোর্স