শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৩:০৪ অপরাহ্ন

ত্রিশালে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সমাবেশ

মমিনুল ইসলাম মমিন, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ ত্রিশালে মুজিববর্ষ ২০২০ উদযাপন উপলক্ষে ত্রিশাল থানা পুলিশের আয়োজনে বালিাপাড়া রেল স্টেশনে (০৩ মার্চ) সোমবার সন্ধ্যায় নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সমাবেশ ও ৯৯৯ এর অভিযোগের বিষয়াবলী অবহিত করন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সমাবেশ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ ত্রিশাল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার স্বাগতা ভট্টাচার্য্য। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহা. আজিজুর রহমান, বালিপাড়া ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি ও বালিপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, বালিপাড়া ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উপ প্রচার সম্পাদক মকবুল হোসেন চৌধুরী, বালিপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মাস্টার, বিয়ারা পাটুলী রহমত উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আকরাম হোসেন কাঞ্চন সরকার, বালিপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক মোতাছিম বিল্লাহ জুয়েল, বালিপাড়া ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শাহাদাত উল্লাহ আদনান, বালিপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউর রহমান পরাগ। অনুষ্ঠানে সভপতিত্ব করেন বালিপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বালিপাড়া ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মুহাম্মদ বাদল।

সমাবেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য রেখে নারী নির্যাতন, ইভটিজিং ও মাদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গুরুতপূর্ণ আলোচনা করেন বালিপাড়া ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সোহাগ। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সমাবেশ ও আলোচনা সভার সঞ্চালনা করেন ত্রিশাল উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য হারুন অর রশিদ। এ সময় আর উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল থানা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র রায়, পুলিশ পরিদর্শক (সেকেন্ড অফিসার) বিকাশ চন্দ্র সরকার, সহকারি পুলিশ পরিদর্শক (এস.আই) জহিরুল হক, বালিপাড়া ইউনিয়নের দায়িত্বে ত্রিশাল থানা পুলিশের উপ-সহকারি পুলিশ পরিদর্শক (এ.এস.আই) সুমন চন্দ্র দাস।

অতিথিরা তাদের আলোচনায় বলেন, আমাদের সমাজের নানা ক্ষেত্রে নারীরা আজও পিছিয়ে রয়েছে বা পুরুষতান্ত্রিক এ সমাজে তাদের পিছিয়ে রাখা হয়েছে। অথচ নারী উন্নয়ন ছাড়া সমাজের কোনো উন্নয়নের কথা কল্পনাও করা যায় না। উন্নয়নের মূল স্রোতে নারীর অংশগ্রহণ না থাকলে পরিবার, সমাজ কিংবা রাষ্ট্রের উন্নয়ন একটা ফাঁপা চিন্তা, যা কখনো সম্ভব নয়। নারী অধিকার রক্ষা করা না গেলে, নারী একদিকে যেমন অস্তিত্ব সংকটে ভুগবে, তেমনি হীনতায়, বাধাগ্রস্ত হবে তার স্বাভাবিক বিকাশ।

উন্নত রাষ্ট্রগুলো নারী অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে যেমন এগিয়ে যাচ্ছে তেমনি বাংলাদেশও নারী অধিকার স্বীকৃতির মাধ্যমে নারী উন্নয়নের আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের সংবিধানেও (অনুচ্ছেদ ২৮ ও ২৯) নারী অধিকারের কথা বলা আছে।

উল্লেখ্য, নারী নির্যাতন প্রতিরোধের জন্য দেশে একাধিক আইন আছে। নারী ও শিশু নির্যাতন (দমন) আইন ২০০০, যৌতুক নিরোধ আইন ১৯৮০, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০, এসিড অপরাধ দমন আইন ২০০২ ইত্যাদি। আইনগুলোর ভেতরে নারী ও শিশু নির্যাতন (দমন) আইন ২০০০ এ নারী ও শিশু সম্পর্কীত অপরাধগুলোকে চিহ্নিত করে তা প্রতিকারের বিধি-বিধান প্রণীত আছে, যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ