শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুর মহানগর ২২ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভা গাজীপুর মহানগরের ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুস সোবাহান সকলের দোয়া চায় ব্যাংকে ঋণ থাকা অবস্থায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু: ৯ বছর পর চাপে ভুক্তভোগী পরিবার মাগুরায় ৮ দিন পর যুবকের মস্তকবিহীন লাশের মাথা ও পা উদ্ধার গাজীপুরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল কলেজ খোলার জন্য মানববন্ধন। মাগুরায় পরিত্যক্ত পুকুরে মিললো যুবকের টুকরো টুকরো লাশ বশেমুরবিপ্রবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, স্বেচ্ছায় অব্যহতি গাজীপুরে ভোগরা বাইপাসে স্ট্রোকে আম বিক্রেতার মৃত্যু গাজীপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় গার্মেন্টস শ্রমিকের মৃত্যু শেরপুরে নকল সোনার বারসহ ২ প্রতারক গ্রেফতার

নবজাতক ফেলে রেখে বাবা মা উধাও, দায়িত্ব নিলেন পুলিশ সুপার

তন্ময় সরকার, কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা নগরীর ঝাউতলায় মা ও শিশু স্পেশালাইজড হাসপাতালে অর্থের অভাবে হতদরিদ্র পিতামাতা নবজাতককে হাসপাতালে ফেলে রেখে উধাও। বিষয়টি ফেইসবুকের মাধ্যমে নজরে আসায় চিকিৎসার সার্বিক দায়িত্ব নিলেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম।

গত ৫ জুলাই দুপুরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সদর উপজেলার আড়াইওরা গ্রামের হতদরিদ্র মিজানের দুটি জমজ সন্তান জন্ম হয়। এ সময় ছেলে শিশুটি মারা যায় এবং মেয়ে শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার্ড করেন। কিন্তু হতদরিদ্র ওই পরিবারটির ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার আর্থিক জোগান না থাকায় তাকে নিয়ে আসা হয় নগরীর ঝাউতলা এলাকার কুমিল্লা মা ও শিশু স্পেশালাইজড হাসপাতালে। ওইদিন সন্ধ্যায় তাকে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে বাবা উধাও। আর মা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতালে ভর্তির সময় যে নাম্বার দেয়া হয়েছিল, সে নাম্বার কখনো বন্ধ থাকে আবার কখনো খোলা থাকলেও ফোন রিসিভ হয়নি। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাবাকে খুজে না পেলেও মায়ের সন্ধান পায় এবং শিশুর শারিরীক অবস্থার বিষয়ে অবগত করে। ৮ জুলাই মা হাসপাতালে আসলেও আর্থিক জোগান না থাকায় বিভিন্ন স্থানে পরিবারের সদস্যরা সহযোগিতা চাইতে থাকেন।

এদিকে বিষয়টি কুমিল্লার পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের নজরে আসার পর তিনি চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহনের দায়িত্ব নেন। এমন সংবাদ পেয়ে শিশুটির বাবা ও অন্যান্য স্বজনরা রবিবার দুপুরে হাসপাতালে ছুটে আসেন। তারা জানান টাকা না থাকায় শিশুটিকে নেয়ার জন্য হাসপাতালে লজ্জায় আসেননি তারা।

মা ও শিশু স্পেশালাইজড হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, শিশুটি অপরিপক্ক হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছে। বর্তমানে আগের চেয়ে সুস্থ্য রয়েছে। তার ওজন সাড়ে ৭শ গ্রাম।মানবিক দিক বিবেচনা করে আমরা অভিভাবকহীন এ শিশুটির চিকিৎসা চালিয়েছি। শিশুটিকে জীবিত রাখাই ছিল আমাদের সর্বোচ্চ লক্ষ্য।

কুমিল্লা মা ও শিশু স্পেশালাইজড্ হাসপাতালের উপ ব্যবস্হাপনা পরিচালক বদিউল আলম চৌধুরী জানান,সাত দিনে এ চিকিৎসার ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। শিশুটিকে সুস্থ্য করে তুলতে আরো অর্থের প্রয়োজন রয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ

Spoken English কোর্স