বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তাহিরপুরে অজ্ঞাত বৃদ্ধার ঠিকানা খুঁজছে এলাকাবাসী নিবন্ধন না থাকায় সাভারে বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আশুলিয়ায় স্কুল পড়ুয়া কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা, সাভারে ২ জনের লাশ উদ্ধার পাটগ্রামে ভারতীয় শাড়ী ও কসমেটিক্স সহ আটক ২ নৌকার মাঝি মোহাম্মদ আলী, ধানের শীষ হাতে সাইফুল আলম বরগুনায় গণপূর্ত বিভাগের জলাশয় অবৈধভাবে দখল করে মাছ চাষ বগুড়ায় ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচার মৃত্যু ঘোড়াঘাটে বালু বোঝাই ট্রাকে ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ২ সাভারে টায়ার পুড়িয়ে পরিবেশ দূষণ, ৫টি কারখানা গুড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত মন্ত্রণালয়ের কোন কর্মকর্তা কর্মচারী দুর্নীতি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: অতিরিক্ত সচিব

নারী নির্যাতন: নিরাপত্তাহীনতায় জবি ছাত্রী

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ, জবি প্রতিনিধি

যৌতুকের দাবিতে নির্যাতিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মাস্টার্সের ছাত্রী নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে জামালপুরের সরিষাবাড়ী থানায় মামলা করলেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও জানা গেছে। অভিযুক্ত শাহাদত এলাকায় ঘরে বেড়ালেও পুলিশ তাকে আটক করেন নি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

জানা যায়, সরিষাবাড়ী পৌরসভার শিমলাপল্লী পূর্বপাড়া গ্রামের আবু তালেবের মেয়ে আফরোজা আক্তার। ২০১৭ সালে আফরোজা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা চলাকালে ঢাকা উদ্ভাস কোচিংয়ে চাকরিরত শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে পরিচয় ঘটে। এ পরিচয়ের সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেম হয়। ২০১৭ সালের ২৪ জুলাই তারা বিয়ে করেন। প্রেমের সম্পর্ক জড়িয়ে বিয়ে করলেও বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবি করত শাহাদত। এ টাকা না দেয়ায় মাঝে মধ্যে স্ত্রী আফরোজাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন শাহাদত।

চলতি মাসের ১৫ তারিখ আফরোজাকে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের সাইঞ্চারপাড় গ্রামে বাড়িতে নিয়ে আসেন শাহাদাত। এরপর ফের যৌতুক দাবি করে গত ২৪ মার্চ বসত ঘরে আটকে রেখে স্ত্রীকে নির্যাতন চালান। খবর পেয়ে আফরোজার বাবা আবু তালেব এসেও মেয়েকে উদ্ধারে ব্যর্থ হন। পরে তিনি পুলিশের সহায়তা নেন। এ ঘটনায় আফরোজা বাদী হয়ে ২৬ মার্চ স্বামী শাহাদাত হোসেনকে ১ নাম্বার আসামি করে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে বাকী ৫ জন জামিন নিলেও শাহাদতের জামিন হয় নি। বর্তমানে আফরোজা আক্তার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভিব বিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যায়নরত।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আফরোজা আক্তার বলেন, আমি থানায় যোগাযোগ করলে পুলিশ পরে ব্যবস্থা গ্রহন করেন না কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন নি। গতকালও থানায় গিয়ে আমার নিরাপত্তার বিষয় জানিয়েছি কিন্তু তারা নিরাপত্তার বিষয়ে কিছু বলে না। তিনি আরো বলেন, এদিকে শাহাদত এবং তার বড় ভাই মামলা তুলে নেওয়ার চাপ দিচ্ছে। এখন আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ বিষয়ে সড়িষাবাড়ি থানার ওসি মাজেদুর রহমান বলেন, অামা‌দের কা‌ছে বাদী এ‌সে‌ছেন, আমরা ক‌র্নো নি‌য়ে ব্যস্ত থাকায় ব্যবস্থা নি‌তে পা‌রিনি। এসময় কথা বল‌তে গি‌য়ে এই প্রবেদ‌কের সা‌থে তি‌নি অ‌পেশাদার আচরণ ক‌রেন। তি‌নি ব‌লেন, সি‌নিয়র অ‌ফিসা‌রের নি‌র্দেশনা না দি‌লে আমরা কোন পদ‌ক্ষেপ নি‌তে পার‌ছি না।

এ বিষয়‌টি নি‌য়ে জান‌তে চাই‌লে জামালপুর জেলার অ‌তি‌রিক্ত পু‌লিশ সুপার বা‌ছির উ‌দ্দিন ব‌লেন, ছাত্রীর নিরাপত্তার বিষয়‌টি আমরা জ‌া‌নি না। ও‌সি বাদীর সা‌থে খারাপ আচরন কর‌লে এটা তি‌নি ঠিক ক‌রেন নি। আমরা বিষয়‌টি গুরুত্বসহ দেখ‌ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ