শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস হবে আম: কৃষিমন্ত্রী খাবার না থাকলে আমাকে জানান, আমি বাড়ি বাড়ি খাবার পৌছে দিব: এমপি আনার অমুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের অভিযোগ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কমলগঞ্জে হিন্দু ছাত্র পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ময়মন‌সিং‌হের শম্ভুগ‌ঞ্জে প্রায় শতা‌ধিক দোকানে ধর্মঘট শেরপুরের শ্রীবরদীতে ১’শ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার সাংসদ কন্যা ডরিন এর নেতৃত্বে রোজা রেখেও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এক কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ করোনা সঙ্কটে আবারো অসহায় মানুষের পাশে সাংসদ কন্যা ডরিন সাভারে দুই নারী ধর্ষণের শিকার, আটক ২ ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে তিস্তায় ডুবে একজনের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিনিয়ত চলছে স্বর্ণের বিস্কুট প্রতারণা

আসাদুজ্জামান আসাদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

২ জন পুরুষ ও ১ জন নারী, এই তিন জনের প্রতারক চক্র। এর মধ্যে ড্রাইভারও তাদের দলেরই। তারপর নিজস্ব অটোরিক্সায় উঠে পড়েন তারা। চলতে থাকে গাড়ি।

এর মধ্যে কোন নারী যাত্রী সেই গাড়িতে উঠলেই তাকে ফাঁদে ফেলার জন্য শুরু হয় “সোনার বিস্কিট নাটক”। প্রথমে প্রতারক মহিলা নকল সোনার বিস্কিট বের করে এটা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্ধের ভাব ধরেন। বিষয়টি যাত্রী মহিলার সাথে শেয়ার করা হয়।

তখন সাথের দুই পুরুষ প্রতারক মহিলাকে সমর্থন দেয় এবং যাত্রী মহিলাকে তারা বলে যে, এটি আসল সোনার ভার। তারপর প্রতারক মহিলা বলে, “আমিতো গরীব মানুষ। এটা বিক্রি করতে গেলে সমস্যা হতে পারে। আমি এটা কোথায় পেয়েছি তা নিয়ে লোকে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে পারে। তাই সোনার বিস্কিটটি আপনি নিয়ে যান আর আপনার গায়ের স্বর্ণালঙ্কার গুলো আমাকে দিয়ে দিন।” তারপর ওই মহিলা লোভে পড়ে হোক আর সরলতার কারনে হোক, তখন তাদের খপ্পরে পড়ে যায়।

গত বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরতলীর ঘাটুরা মিলন বাজার এলাকায় নকল সোনার বিস্কুট দিয়ে প্রতারণা করার সময় একজন নারীকে আটক করার পর সে নিজেই এসব তথ্য দেয়। একই কৌশলে রিক্সাওয়ালা সেজেও প্রতারণা করে তারা।

ঘাটুরা গ্রামের পায়েল অভিযোগ করেন, প্রতারক চক্রের সদস্যরা আজ তাঁর মায়ের কাছ থেকে ৮ আনা ওজনের সোনার কানের দুল হাতিয়ে নেন।যাতে এই নারীও জড়িত ছিল।

এ ব্যাপারে আটককৃত নারী জানান, ওনি সহ মোট তিনজন কয়েক মাস ধরে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সোনালি রঙের বিস্কুট নিয়ে সিএনজি, অটোরিকশায়,মার্কেটে,বাজারে সহজ-সরল নারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেন।তারসাথে থাকা অপর দুই সদস্য সোনার বিস্কুটটি আসল বলে বিশ্বস্ত করতেন। তখন সামান্য আসল স্বর্ণালংকার ও টাকা বিনিময়ে প্রতারণা করতেন তাঁরা।

আটককৃত মহিলার অপর এক সঙ্গীর নাম দুলাল মিয়া বলে জানান।দুলাল মিয়া আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। পরে আটককৃত মহিলা প্রতারণার মাধ্যমে নেয়া কানের দুল ফিরিয়ে দিলে। তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এ ব্যাপারটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আরো অনেকেই এমনভাবে প্রতারিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।

আবু সুদা নামে একজন জানান,আমার মায়ের এবং বাতিজির জিনিসও নিয়ে গিয়েছিল একবার।

মোঃহামিদ জানান,কিছু দিন আগে আমার বোনের ৬ বরি সর্ণ নিয়া গিয়েছিল একি পক্রিয়ায়।

আলী আহমেদ জানান,লালপুরের তকদির মেম্বারের ভাগিনা দুলাল এই গ্যাং এর মূল গডফাদার।
এদের সাথে অনেক অনেক বড় বোয়াল জড়িত।তারা এর আগেও অনেকবার ধরা পড়েছে। পুলিশে দিলেও জামিনে বের হয়ে আবার এই কাজ করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি (অপারেশন) ইশতিয়াক আহমেদ তেপান্তরকে জানান,ঈদ এলেই এই ধরনের প্রতারক চক্ররা সক্রিয় হয়ে উঠে।এ ব্যাপারে আমাদের পুলিশ প্রশাসন আগে থেকেই তৎপর রয়েছেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ

Spoken English কোর্স