শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুর মহানগর ২২ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভা গাজীপুর মহানগরের ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুস সোবাহান সকলের দোয়া চায় ব্যাংকে ঋণ থাকা অবস্থায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু: ৯ বছর পর চাপে ভুক্তভোগী পরিবার মাগুরায় ৮ দিন পর যুবকের মস্তকবিহীন লাশের মাথা ও পা উদ্ধার গাজীপুরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল কলেজ খোলার জন্য মানববন্ধন। মাগুরায় পরিত্যক্ত পুকুরে মিললো যুবকের টুকরো টুকরো লাশ বশেমুরবিপ্রবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, স্বেচ্ছায় অব্যহতি গাজীপুরে ভোগরা বাইপাসে স্ট্রোকে আম বিক্রেতার মৃত্যু গাজীপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় গার্মেন্টস শ্রমিকের মৃত্যু শেরপুরে নকল সোনার বারসহ ২ প্রতারক গ্রেফতার

মনোহরদীতে ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ

মনোহরদী, (নরসিংদী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর মনোহরদীতে বয়স্ক, বিধবা, মাতৃত্বকালীন ভাতা ও চালের কার্ড দেওয়ার নামে দরিদ্র মানুষদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার একদুয়ারিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ ভূঞার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তিনি চকবগাদী গ্রামের সিরাজ উদ্দিন ভূঞার ছেলে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভূক্তভোগীরা।

অভিযোগে জানা যায়, হারুন অর রশিদ মাতৃত্বকালীন ভাতা কার্ড করে দেওয়ার কথা বলেন চকবাগাদী গ্রামের জুয়েল মিয়ার স্ত্রী তানিয়া আক্তারের কাছ থেকে দুই হাজার টাকা, রমিজ উদ্দিনকে বয়স্ক ভাতা এবং চালের কার্ড দেওয়ার নামে ছয় হাজার টাকা, একই গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের স্ত্রী মুর্শিদা বেগমের নামে বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তিন হাজার ৫০০ টাকা এবং তাজুল ইসলামের স্ত্রী মাজেদা বেগমকে চালের কার্ড দেওয়ার কথা বলে দুই হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। একইভাবে ওই গ্রামের ২০-২৫ জন সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে কার্ড দেওয়ার নামে অর্ধলক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। অথচ তাদের কেউই কোনো সুবিধা কার্ড পাননি।

ষাটোর্ধ্ব রমিজ উদ্দিন বলেন, আমি গরিব মানুষ। অল্প টাকা পুঁজি নিয়ে কলার ব্যবসা করে অনেক কষ্টে সংসার চালাই। পাঁচমাস আগে হারুন অর রশিদ বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিবে বলে আমার কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা নেয়। এখনো কার্ড পাইনি।

মুশিদা বেগম বলেন, আমি বাড়ির পাশে একটি কারখানার মেসে রান্নার কাজ করে কোনো রকম সংসার চালাই। আমার নামে বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে হারুন অর রশিদ সাড়ে তিন হাজার টাকা নেয়। কিন্তু এখনো কার্ডের কোনো খবর নাই।

হারুন অর রশিদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রাজনৈতিভাবে হেয় করার জন্য আমার নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাফিয়া আক্তার শিমু বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ

Spoken English কোর্স