মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন

মানুষকে ঘরে ফেরাতে কঠোর উপজেলা প্রশাসন

মো.মিজানুর রহমান নাদিম, বরগুনা প্রতিনিধি

বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা  ভাইরাস সম্পর্কে মানুষের মাঝে সচেতনা বৃদ্ধি,  সামাজিক দুরুত্ব বজায় ও মানুষকে ঘরে ফেরাতে  কঠোর অবস্থানে বরগুনার তালতলী উপজেলা প্রশাসন।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম মিঞা”র নেতৃত্বে নৌবাহিনী ও থানা পুলিশের সহযোগিতায় তালতলীতে বিভিন্ন জায়গায় চৌরাস্তা,মালিপাড়া,টিএন.টি মাছ-বাজার, কাচাঁবাজার লোকাল বাস স্টান্ড ও নয়াপাড়া সহ বিভিন্ন মোড়ে, মোড়ে সর্বদা পুলিশের টহল জোরদার করছে এবং সাধারন মানুষের ঘরে থাকার পরার্মশ দিচ্ছে।

অপর দিকে গতকাল মাইকিং করে আজকে রবিবার সাপ্তাহিক হাট বন্ধ করে দিয়েছি স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতি তারপর ও বাজারে প্রতিদিন নানা-শ্রেনী পেশার মানুষের উপস্তিতি কম থাকলে ও আজকে ব্যাপক লোকের সমাগম।ছোট ছোট চায়ের
দোকানে ও আড্ডা বিভিন্ন গলিতে চলছে।আবার চায়ের অনেক দোকানের শাটার বা দরজা দিয়ে ভিতরে চা বিক্রি করছে।কেউ মানছে না সমাজিক দুরুত্ব।

উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে,গত এক বিজ্ঞপ্তি বলা হয় যে সকাল ৯ থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দোকান  খোলা থাকবে এবং দুপুর ২টার পড় থেকে ওষুধের দোকান খোলা থাকবে।এবং অন্য সব দোকান বন্ধ থাকবে।সন্ধার পর থেকে কেউ বাহিরে বের হতে পারবে না।এছাড়া বিদ্যুৎ ফায়ার সার্ভিস জরুরী ওষুধ সরবাহকারী ও সংবাকর্মীদের যানবাহনের ক্ষেত্রে আদেশ শিথিলযোগ্য।

তালতলী থানা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে,করোনা ভাইরাস সংক্রমন এড়াতে পুলিশ সর্বদা সক্রিয় আছে সাধারন মানুষের মধ্যে শিথিলতা মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।ঢাকা থেকে ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা কোন ব্যক্তি বাহিরে ঘোরা ফেরা না করতে পারে তাদেরকে কোয়ান্টাইনে রাখা নিশ্চিত করা হচ্ছে।গত (৯এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ১৪ জন কে কবিরাজপাড়া
সাইক্লোন সেন্টারে ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ান্টাইন এ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গার মানুষের জটলা ভেঙে দিচ্ছে।পুলিশের টিম সরে গেলে আবার মানুষ জড়ো হন।তালতলী থানার পক্ষ থেকে কচুপাত্রা বাজারের ব্রিজ সংলগ্ন ১টি চেক-পোস্ট বসানো হয়েছে।জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষের হাটাচলা ও যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

তালতলী থানার (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা জনাব মো. কামরুজ্জামান মিয়া জানান,করোনা ভাইরাস মোকা বেলায় সর্বদা প্রস্তুত আছি এবং সকাল থেকে রাত অভিযান চালানো হয়।অসহায় মানুষের মাঝে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মাইকিং করে পৌঁছে দিচ্ছি খাবার। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে হলে অবশ্য নিরাপদ থাকতে হবে এবং সরকারি নিয়ম মেনে চলতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম মিঞা জানান,কোনভাবেই জনসমাগমের সৃষ্টি না হয়।সরকারের নির্দেশনা মেনে এবং হোম কোয়ান্টানে ৫০জন আছে আরো খোজ করে তালিকা করা হবে।

আজকে বাজারের বিভিন্ন মুদি দোকানে সামাজিক দুরুত্ব না রেখে বেচা-কেনা করছে এমন অপরাধে দুই দোকান মালিকদের জরিমানা করা হয়েছে।সামাজিক দূরত্ব বজায় নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ