শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুর মহানগর ২২ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভা গাজীপুর মহানগরের ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুস সোবাহান সকলের দোয়া চায় ব্যাংকে ঋণ থাকা অবস্থায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু: ৯ বছর পর চাপে ভুক্তভোগী পরিবার মাগুরায় ৮ দিন পর যুবকের মস্তকবিহীন লাশের মাথা ও পা উদ্ধার গাজীপুরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল কলেজ খোলার জন্য মানববন্ধন। মাগুরায় পরিত্যক্ত পুকুরে মিললো যুবকের টুকরো টুকরো লাশ বশেমুরবিপ্রবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, স্বেচ্ছায় অব্যহতি গাজীপুরে ভোগরা বাইপাসে স্ট্রোকে আম বিক্রেতার মৃত্যু গাজীপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় গার্মেন্টস শ্রমিকের মৃত্যু শেরপুরে নকল সোনার বারসহ ২ প্রতারক গ্রেফতার

মোজাফ্ফর আলী ফকির উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও শিক্ষক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

নিজস্ব প্র‌তি‌বেদন
বামে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষশাহ্ শ‌হিদুল ইসলাম এবং ডানে কোট পরাশিক্ষক প্রতিনিধি নুর মোহাম্মদ সিদ্দিকী

মোজাফ্ফর ফকির উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষক ও কলেজ শাখার শিক্ষক প্রতিনিধি নুর মোহাম্মদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে লগামহীন দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কলতাপাড়ায় অবস্থিত মোজাফ্ফর আলী ফকির উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ একটি ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যার প্রতিষ্ঠাতা গৌরীপুরের মাটি ও মানুষের নেতা সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ ক্যাপ্টেন (অঃ) মুজিবুর রহমান ফকির। তিনি যেমন প্রতিষ্ঠানটি তিল তিল করে গড়ে তোলেছেন তেমনি তার উন্নয়নের জন্য রেখেছেন নানা অবদান, প্রতিষ্ঠানটিকে তিনি মনে প্রাণে ভালবাসতেন।

এলাকার মানুষও তাঁর এ অবদানকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেন। যার ফল স্বরূপ প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ৬ থেকে ৭ শত শিক্ষার্থী পড়া-লেখা করে আসছেন। কিন্তু, বর্তমান অনির্বাচিত গভর্নিংবডি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে কমিটির কতিপয় সদস্য, প্রধান শিক্ষক শাহ্ শহিদুল ইসলাম ও কলেজ শাখার শিক্ষক প্রতিনিধি নুর-মোহাম্মদ সিদ্দিকীর বিভিন্ন অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির কারণে প্রতিষ্ঠানটি তার স্বকীতা হারাতে বসেছে। বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে প্রায় ২ বছর, এ সময়ে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে কোন স্টাফ মিটিং করেনি। ফলে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ কোন বিষয়ে কমিটির সাথে কথা বলা যায় না। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গভর্নিংবডির কতিপয় সদস্য, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহ শহিদুল ইসলাম ও কলেজ শাখার শিক্ষক প্রতিনিধি নূর মোহাম্মদ সিদ্দিকী প্রতিষ্ঠানের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কেন সভাপতি শাহ স্ইাফুল আলম পান্নু গত দুই বছরে স্টফ মিটিং করেন নি বা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরের দূর্নীতি নিয়ে কথা বলতে চান না এর কী রহস্য তা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী, অভিবাবক ও এলাকাবাসীর কাছে বোধগম্য নয়।

 

কমিটির অনুমোদনের জন্য যেখানে বোর্ড নির্ধারিত পাঁচ শত টাকার সোনালী সেবা লাগে সেখানে খরচ দেখানো হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। কমিটির মিটিং-এর অনুষ্ঠান বাবদ এক দিনের চা-পান খরচ দেখানো হয়েছে ৭ হাজার ৫ শত ২৮ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মারা যাওয়ার পর পূর্বের কমিটি বিধি মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান সাবিনা ইয়াসমিনকে দায়িত্ব দেয়। কিন্তু বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর জোড় করে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সড়িয়ে দিয়ে জুনিয়র শিক্ষক শাহ শহিদুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করেন যিনি মাদ্রাসা থেকে স্নাতক পাস করেছেন। স্নাতক উত্তর কোন ডিগ্রী নেই, কোন বিএড এমএড নেই, যেখানে কলেজ শাখায় বিশ্ববিদ্যালয় পাস করা স্নাতকোত্তর শিক্ষকগণ রয়েছেন, তাঁকে প্রধান করার ব্যাপারে তাঁদের আপত্তি রয়েছে। স্কুল শাখায় এমপিওভুক্ত দু-জন সিনিয়র শিক্ষক রয়েছেন তাঁদেরকে প্রধান শিক্ষকের পদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হয় নি, বিধান থাকলেও নতুন কোন প্রধান শিক্ষক কেন নিয়োগ দেওয়া হয় নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে শিক্ষক-কর্মচারী ও অভিবাবক মহলে।

 

কলেজ ও স্কুল শাখায় আলাদা আলাদা হিসাব রক্ষক থাকা সত্ত্বেও তাদের দ্বারা হিসাব রক্ষণ ও টাকা পয়সার লেনদেন না করিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কলেজ শাখার শিক্ষক প্রতিনিধি নূর মোহাম্মদ সিদ্দিকী ব্যক্তিগত ভাবে প্রতিষ্ঠানের হিসাব নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কমিটির মেয়াদ প্রায় শেষ হলেও এখনো প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন না করে সমস্ত টাকা-পয়সা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহ্ শহিদুল ইসলাম ও কলেজ শাখার শিক্ষক প্রতিনিধি নূর মোহাম্মদ সিদ্দিকী ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে নিজের হাতে প্রতিষ্ঠানের টাকা তুলে নিয়েছেন এবং ভুয়া বিল-ভাওচার তৈরি করে প্রতিষ্ঠানের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠানের ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক তাঁর হাতে রাখতে পারেন।

সরকারি সিদ্ধান্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি বন্ধ থাকলেও এই কমিটি কলেজ শাখার স্বীকৃতির নামে প্রতিষ্ঠানের দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে অথচ স্বীকৃতি হয়নি। ভর্তি ও ফরম পূরণ বাবদ অতিরিক্ত টাকা আদায় করে সেই টাকা আত্মসাৎ করেছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও শিক্ষক প্রতিনিধি। শিক্ষার্থীদের ভর্তি এবং ফর্মপূরণ বাবদ দুটি ভাওচার তৈরি করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে বেশি টাকা অথচ অফিসে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কম টাকার ভাওচার।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিজে মাদ্রাসা থেকে ডিগ্রী পাস করা একজন শিক্ষক তিনি নির্ধারিত বিষয়ের শিক্ষককে বাদ দিয়ে ঐ বিষয়ের প্রশ্ন তৈরী করে প্রেক্টিকেল পরীক্ষা নেন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিমাত্রায় প্রেক্টিলের টাকা আদায় করার জন্য।

২০১৭-১৮ শিক্ষা বর্ষের সরকারের দেওয়া উপবৃত্তির ভর্তূকির টাকা ও ২০১৮-১৯ শিক্ষা বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিপরীতে দেওয়া টাকা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে প্রধান শিক্ষক ও নূর মোহাম্মদ সিদ্দিকী হাতিয়ে নিয়েছেন যা ব্যংক স্টেটমেন্ট তুললেই পাওয়া যাবে। বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাসের টাকা প্রতিবার শিক্ষক-কর্মচারীরা পেলেও ২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ সালে কেন পেলন না এবং এই টাকার কী হলো প্রধান শিক্ষক বিষয়টি পরিস্কার করেন নি। প্রতিষ্ঠানে চা ও দৈনিক প্রত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করা হয়েছে ম্যাডামদের জন্য নির্ধরিত নামাজ ঘরটিও ।

প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে শিক্ষকদের নিয়ে মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেয়ার নিয়ম থাকলেও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও শিক্ষক প্রতিনিধি নূর মোহাম্মদ সিদ্দিকী বোর্ডে নোটিস টানিয়ে হুকুম জারি করেন। তাঁর সাথে কোন বিষয়ে দ্বি-মত প্রকাশ করলেই প্রধান শিক্ষক কথায় কথায় শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে অপমান করেন। সকোজ ও প্রাণ নাশের হুমকী দেন এর মদদ জোগান নূর-মোহাম্মদ সিদ্দিকী।

বিধি মোতাবেক সরকারি কর্মকর্তাগণ নবম-দশম শ্রেণীর এমপিও’র জন্য প্রতিষ্ঠানের ৮ জন শিক্ষক-কর্মচারীর বিভিন্ন তথ্য অডিট করতে আসেন, কিন্তু সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিতে হবে মর্মে স্কুল-কলেজের ২৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীর কাছ থেকে জোর করে সেলারী সিটে স্বাক্ষর করিয়ে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে বর্তমান ভারপ্রপ্ত অধ্যক্ষ ও নূর-মোহাম্মদ সিদ্দিকী বিরুদ্ধে।

বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দায়িত্ব নেওয়ার পর শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব থেকে একাধিক ল্যাপটপ হারিয়েছে। অথচ লেপটপ চুরির দায় চাপিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমি ও অফিস সহায়ক আব্দুর রহমানকে একাধিক সকোজ নোটিশ দিয়েছে বর্তমান গভর্নিংবডি।

কলেজ শাখার শিক্ষক প্রতিনিধি নূর মোহাম্মদ সিদ্দিকীর কলেজ শাখায় নিয়োগ অথচ স্কুল ও কলেজ দুই শাখা থেকেই বেতন নিচ্ছেন। আবার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও শিক্ষক প্রতিনিধি নূর মোহাম্মদ সিদ্দিকী বিভিন্ন কলা কৌশলে ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদেরকে মানবিক শাখায় সড়িয়ে নিয়ে ব্যবসায় শিক্ষা শাখাটিকে শিক্ষার্থী শূন্য করে শাখাটিকে বন্ধ করার চক্রান্ত করছেন। নবম দশম শ্রেণীর ৮ জন শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও’র জন্য আবেদন করলেও ৫ জনের কাগজপত্র সঠিক দেখানো হয়েছে এমপিও’র জন্য। এদের চার জনের কাছ থেকেই বড় অংরে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের চাহিদা পুরণ করতে না পারায় তিন শিক্ষকের এমপিও হয় নি।

এমপিও না হওয়া এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন আমার কাছে দুই লাখ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছে, আমি ৬০হাজার টাকা দিতে রাজি হয়েছিলাম, কিন্তুু তাঁদের পুরো চাহিদা পূরণ করতে না পারায় আমার কাগজপত্রে ভেজাল দেখানো হয়েছে যার জন্য আমার এমপিও হয় নি।

গভর্নিংবডি,ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও শিক্ষক প্রতিনিধির এই সব অনিয়ম, যৌন হয়রানি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দূর্নীতির প্রতিবাদ করায় ইতোমধ্যে এই গভর্নিংবডি কলেজ শাখার উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন বিষয়ের প্রভাষক মোঃ আনোয়ার হোসেন ও অফিস সহায়ক সাজেদা বেগমকে চাকুরী থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। সহকারী প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন ও অফিস সহায়ক আব্দুর রহমানকে একাধিক সকোজ নোটিশ প্রদান করেছে এবং আরও কয়েক জনকে শ্বাসাচ্ছেন চাকুরিচ্যুতির ব্যপারে। যে প্রভাষককে চাকুরী থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সেই প্রভাষক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন (যার মেডিকেল সার্টিফিকেট রয়েছে), বিষয়টি লিখিত ভাবে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে জানানোর পরও তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আবার কলেজ শাখার ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনার প্রভাষক নয়ন কুমার দাস গত প্রায় চার বছর যাবৎ প্রাইমারীতে চাকুরিরত আছেন, দুইটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বেতন নিচ্ছেন, তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়নি।

শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে স্টাফ মিটিং বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির অভিভাবক সদস্য কাজী আবু ইসহাক জানান, গত দুই বছরে বর্তমান কমিটি সকল শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়ে কোন স্টাফ মিটিং করে নি এবং গত এক বছরে কোন কমিটি মিটিংও হয় নি।

কলেজ শাখার শিক্ষক প্রতিনিধি নুর মোহাম্মদ সিদ্দিকী সাব র‌্যাজ্যুলেশন খাতা নিয়ে আমাদের কাছে আসেন, কোনটাতে আমরা স্বাক্ষর দেই আবার কোনটাতে দেই না। গত ২ বছর স্টাফ মিটিং হয় নি বলে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ দূর্নীতি সম্পর্কে জানা যায়নি।

বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহ শহিদুল ইসলাম বলেন, বর্তমান কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর আমাকে বিধি মোতাবেক দায়িত্ব দিয়েছে, আমি সুন্দর ভাবে আমার দিায়িত্ব পালন করছি, প্রতিষ্ঠনে কোন প্রকার দূর্নীতি নেই।

নুর মোহম্ম্দ সিদ্দিকী ব‌লেন,  প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সভাপতির পরামর্শক্রমে আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি, কোন প্রকার দূর্নীনি করিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ

Spoken English কোর্স