বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ০২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাগুরায় ৮ দিন পর যুবকের মস্তকবিহীন লাশের মাথা ও পা উদ্ধার গাজীপুরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল কলেজ খোলার জন্য মানববন্ধন। মাগুরায় পরিত্যক্ত পুকুরে মিললো যুবকের টুকরো টুকরো লাশ বশেমুরবিপ্রবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, স্বেচ্ছায় অব্যহতি গাজীপুরে ভোগরা বাইপাসে স্ট্রোকে আম বিক্রেতার মৃত্যু গাজীপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় গার্মেন্টস শ্রমিকের মৃত্যু শেরপুরে নকল সোনার বারসহ ২ প্রতারক গ্রেফতার কাল থেকে ৭ দিনের জন্য কঠোর লকডাউন চাঁপাইনবাবগঞ্জে শরনখোলায় লোকালয় থেকে মৃত হরিন উদ্ধার! উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি/সম্পাদকের ১৯ তম মৃত্যু বার্ষীকি পালন করেন এমপি সবুজ

রাণীনগরে গ্রামবাসীর উদ্দ্যোগে লকডাউন করা হলো সিম্বা গ্রাম

রহিদুল ইসলাম রাইপ, নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর রাণীনগরে করোনা প্রতিরোধে গ্রামবাসীর উদ্দ্যোগে লকডাউন করা হলো সিম্বা গ্রাম।

সারা বিশ্ব বর্তমানে করোনাভাইরাসের মৃত্যুর ভয়াল থাবায় নাজেহাল। এই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে নানা রকমের সতর্কতা ও সচেতনতা মূলক ব্যবস্থা। তারই ধারাবাহিকতায় নওগাঁর রাণীনগরে সদর ইউনিয়নের সিম্বা গ্রামকে করোনাভাইরাস মুক্ত রাখার প্রত্যয়ে গ্রামবাসীরা নিজ উদ্যোগে লকডাউন করেছে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বাঁশ দিয়ে গ্রামের প্রধান প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রবেশ মুখে একদল স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করছেন। বাহিরের কাউকে প্রামের মধ্যে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। কাউকে জরুরি কাজ ছাড়া বাহিরেও যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

সিম্বা গ্রামের সাইদুল ইসলাম, তুষার বুলবুলসহ অনেকেই জানান, গ্রামের কিছু যুবক ছেলেরা গ্রামের সবাইকে করোনাভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করছে, কি কি বিষয় অবশ্যই করণীয় তা সম্পর্কে সব সময় কাজ করে আসছে।

বাঁশের বেড়া দিয়ে গ্রামকে লকডাউন করার প্রসঙ্গে তারা বলেন, নিজ নিজ দূরত্ব বজায় রেখে এলাকাবাসী প্রয়োজন ছাড়া গ্রাম থেকে বের হচ্ছেন না। মরণঘাতি এই ভাইরাস মোকাবেলায় গ্রামের প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের গ্রামকে রক্ষার স্বার্থে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আশা রাখি আমাদের দেখাদেখি উপজেলার অন্যান্য গ্রামগুলোও এই নিরাপদ থাকার পন্থা গ্রহণ করবেন। কারণ আমরা যদি নিজ থেকে সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বন করি তাহলে করোনাভাইরাস আমাদের তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। তার কারণ কোনো কিছুর প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই প্রধান উপায়। গ্রামের সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা এই কাজটি করেছি। যতদিন এই করোনা সংকট শিথিল না হচ্ছে ততদিন এই লকডাউন অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে নিজ নিজ এলাকা সুরক্ষিত রাখার জন্য এ ধরনের উদ্যোগ সবার জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। প্রতিটি এলাকায় যদি গ্রামবাসী এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় এগিয়ে আসেন তবে এ মরণঘাতি ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে আমরা সবাই রক্ষা পাবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ

Spoken English কোর্স