শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস হবে আম: কৃষিমন্ত্রী খাবার না থাকলে আমাকে জানান, আমি বাড়ি বাড়ি খাবার পৌছে দিব: এমপি আনার অমুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের অভিযোগ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কমলগঞ্জে হিন্দু ছাত্র পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ময়মন‌সিং‌হের শম্ভুগ‌ঞ্জে প্রায় শতা‌ধিক দোকানে ধর্মঘট শেরপুরের শ্রীবরদীতে ১’শ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার সাংসদ কন্যা ডরিন এর নেতৃত্বে রোজা রেখেও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এক কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ করোনা সঙ্কটে আবারো অসহায় মানুষের পাশে সাংসদ কন্যা ডরিন সাভারে দুই নারী ধর্ষণের শিকার, আটক ২ ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে তিস্তায় ডুবে একজনের মৃত্যু

সাতক্ষীরায় গরুর প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেনা খামারিরা

শেখ ইমরান হোসেন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

করোনা পরিস্থিতিতে সাতক্ষীরায় দেশি ও শংকর জাতের গরুর উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও এবছর নেই বেচাবিক্রি। প্রশাসন সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুর হাটে বেচাকেনার নির্দেশনা দিয়েছে কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না কেউ। বেচাবিক্রি না হওয়ায় হতাশ খামারিরা। প্রত্যাশিত দাম পাওয়া নিয়েও রয়েছে শঙ্কা।

তবে প্রশাসন বলছে, করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইন প্লাটফর্মে গরু বেচাকেনা করলে লোকসান থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। জেলায় কোরবানি উপলক্ষে এবার ছাগলের থেকে গরুর উৎপাদন ও চাহিদা দুটোই বেশি।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর থেকে জানা যায়, জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৫২ হাজার ৩০০টি। এর মধ্যে গরুর সংখ্যা ৩০ হাজার ৫৬০ ও ছাগলের সংখ্যা ২১ হাজার ৭৪০টি। এছাড়া জেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ৫৯ হাজার ২৩৭টি গরু ও ছাগল। এর মধ্যে গরু রয়েছে ৩১ হাজার ২৯০, ছাগল ২৫ হাজার ২২১, মহিষ ৯০০ ও ভেড়া দুই হাজার ৭২৬টি।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম জানান, জেলায় খামারির সংখ্যা রয়েছে ১২ হাজার ৭৬১ জন। আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে অনলাইনের মাধ্যমে পশু বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া ১১টি পশু হাটও খোলা রয়েছে। প্রাস্তিক কোনো খামারি যদি পশু বিক্রি করতে ব্যর্থ হন তাহলে পরবর্তীতে আমরা ব্যবস্থা নেব। তবে ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই পশু বিক্রির সংখ্যা বাড়ছে। এ পর্যন্ত ১২টি গরু বিক্রি হয়েছে বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। দিন দিন বিক্রি বাড়ছে। ছাগলের তথ্যটি এখনও আমরা পাইনি।

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়ায় কোরবানির বড় পশুরহাট বসে। দেশি গরুর দখলে রয়েছে হাটটি। তবে বাইরের ব্যাপারি ও ক্রেতার সংকটে গরুর চাহিদা ও দাম দুটোই কমেছে। করোনা মহামারির কারণে মধ্যবিত্তসহ অধিকাংশ মানুষই অর্থিক সংকটে স্বল্প বাজেটে ছাগল কোরবানি দিতে চাচ্ছেন।

হাটের গরু বিক্রেতা কাজি অভি জানান, এবার হাটে গরুর থেকে ছাগল বিক্রি হচ্ছে বেশি। বর্তমানে হাটে ৩৫ হাজার থেকে এক লাখ টাকায় গরু পাওয়া যাচ্ছে। তবে বেশি বিক্রি হচ্ছে ছাগল। ৬-১০ হাজার টাকা দামের ছাগল বেশি বিক্রি হচ্ছে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, ঈদকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনলাইন গরুর হাট করা হয়েছে। যেখানে লক্ষ্য রয়েছে ১০-১৫ হাজার গরু অনলাইনে নিয়ে এসে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মাঝে সমন্বয় করে দেয়া। এতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত হবে। এছাড়া জেলার ১১টি পশুর হাটও খুলে দেয়া হয়েছে। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাটগুলো চলবে। এগুলো দেখভাল করার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে দেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ

Spoken English কোর্স